শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
আমরা কেউ সংখ্যালঘু নই সবাই মানুষ সনাতনীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে -আশফাক বায়েজিদে ওয়াশিং কারখানার দূষণে নাজেহাল জনপদ, প্রশ্নের মুখে পরিবেশ অধিদপ্তর সংসদে উঠছে না গণভোটসহ ১৬ অধ্যাদেশ: বাতিল হচ্ছে ১২ এপ্রিল শহীদ ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন ১৯ এপ্রিল মধ্যপ্রাচ্যে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি: সামরিক শক্তিতে এগিয়েও কেন ইরানের কাছে ‘অসহায়’ ট্রাম্প? অফিস ৯-৪টা, সন্ধ্যা ৬টায় মার্কেট বন্ধ: ব্যয় সংকোচনে সরকারের গুচ্ছ সিদ্ধান্ত জালানি সংকট মোকাবিলায় বিকল্প উৎস: তিন দেশ থেকে তেল আনছে সরকার দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের অবসান: রাণীশংকৈলে আহসান হাবিবকে বর্ণাঢ্য বিদায়ী সংবর্ধনা

লালমনিরহাটে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ক্রিসমাস ডে উৎযাপন

লালমনিরহাট প্রতিনিধি॥

২৫ ডিসেম্বর যিশু খ্রিষ্টের জন্মদিন। দিনটি খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব ক্রিসমাস ডে (বড় দিন) খ্রিষ্টানদের বিশ্বাস মতে, যিশু খ্রিষ্ট পৃথিবীতে মানুষের রূপ ধরে জন্মগ্রহণ করেন এই পৃথিবীর সকল পাপ-পঙ্কিলতা থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে, মানুষে মানুষে বন্ধনকে আরও সুসংহত করতে। এই তাৎপর্যপূর্ণ আগমনের তিথি স্মরণ করে তার অনুসারীরা লালমনিরহাটেও সামাজিকভাবে জাঁকজমকের মধ্যদিয়ে এই শুভ বড়দিন উৎসব পালন করছে জেলার খ্রিষ্ট ধর্মালম্বীরা। পূণ্যময় বড়দিন যে খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব তা বলা বাহুল্য। তাদের কাছে এই দিনটির ধর্মীয় তাৎপর্য ও গুরুত্ব অসামান্য।

আধুনিক বিশ্বে বছরের অন্য যেকোনো দিন ধর্মীয়, অর্থনৈতিক, সামাজিক এমনকি রাজনৈতিকভাবেও এতটা তাৎপর্যপূর্ণ নয়। আর তাই বড়দিন উৎসব নিয়ে বিপুল এই আগ্রহ এখন শুধুমাত্র আর খ্রিষ্টানদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সব ধর্মের বর্ণের মানুষের কাছে তাই এর আবেদন ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী। ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে দিনটি পালন উপলক্ষে নতুন সাজে মেতে উঠছে লালমনিরহাটের মিশনমোড় এলাকার খ্রিষ্ট ধর্মালম্বী এলাকায়। রাস্তার মোড়ে মোড়ে তৈরি করা হয়েছে ভ্রাম্যমাণ গোশালা। গোয়াল ঘরে যিশুর মনোরম ‘জন্মদৃশ্য’ এবং এর ‘ভাস্কর্য’ বা চিত্রকলার ব্যবহার রীতি ডিসেম্বর মাসে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের মাঝে এনে দেয় অন্যরকম এক অনুভুতি।

উৎসবের আলোয় নিজেদের রাঙিয়ে তুলেছে লালমনিরহাটের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষ। লালমনিরহাটের গির্জা, রাস্তা-ঘাট, আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে। তবে বড়দিনের মুল আকর্ষণ ক্রিসমাস ট্রি এবং গির্জা। যা বর্ণিল আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে। আর তা উপভোগ করতে জড়ো হয়েছে অসংখ্য দর্শনার্থী। লালমনিরহাট চার্চের সাধারন সম্পাদক জেমস্ আশিষ দাস বলেন, ২৫ ডিসেম্বর সকালেই শুরু হয়েছে বড় দিনের মুল আয়োজন। বিশ্বের সকল মানুষের শান্তি কামনায় ও দেশের সকল মানুষ যাতে সুখে, শান্তিতে বসবাস করতে পারে সেই জন্য লালমনিরহাটের খিষ্ট ধর্মালম্বীরা বিশেষ প্রার্থনা করবে জেলার কেন্দ্রীয় গির্জায়।

লালমনিরহাট পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হক বলেন, লালমনিরহাটের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষ গুলো যেন কোন রকম ভয়ভীতি ছাড়াই তারা তাদের উৎসব টালন করতে পারে এজন্য পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলার খিষ্ট ধর্মালম্বীদের নিরাপত্তায় যে কোন ধরণের অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে পুলিশ প্রশাসন তাদের দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com